

মোঃ শাহিন : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ডক্টর মিজানুর রহমানের একের পর এক ব্যতিক্রমী ও জনমুখী উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সন্তুষ্টি ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি নির্বাচনী এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলিত ও স্থবির হয়ে পড়া সমস্যাগুলো সমাধানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর রেখাপাত করেছে।
স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ জনগণের মতে, ডক্টর মিজানুর রহমান কেবল একজন জনপ্রতিনিধিই নন, বরং তিনি সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের এমপি’। দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য তার দুয়ার উন্মুক্ত থাকায় এবং জনগণের স্বার্থকে সবার ওপরে স্থান দেওয়ায় তিনি এখন এই অঞ্চলের মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
সরেজমিনে নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক মাসে এলাকার রাস্তাঘাটের সংস্কার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য খাতের সেবার মান বাড়াতে দৃশ্যমান নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন এই নতুন এমপি। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে তার বিশেষ নজর সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।
গোমস্তাপুর উপজেলার এক সাধারণ ব্যবসায়ী বলেন,”আমরা অতীতে অনেক এমপি দেখেছি, কিন্তু ডক্টর মিজানুর রহমানের মতো এত মাটির মানুষ আর দেখিনি। তিনি বড় বড় প্রতিশ্রুতির চেয়ে কাজে বিশ্বাসী। সাধারণ মানুষের সমস্যা তিনি নিজে কানে শোনেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেন।”
নাচোল উপজেলার একজন কলেজ শিক্ষক বলেন,”শিক্ষা ও মেধার মূল্যায়ন করতে ডক্টর মিজানুর রহমান অনন্য। এলাকার তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তার নেওয়া পরিকল্পনাগুলো সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি জনগণের স্বার্থে দিনরাত খেটে যাচ্ছেন।”
ভোলাহাটের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সীমান্ত ঘেঁষা এই উপজেলার নানাবিধ সমস্যা নিয়ে আগে কেউ এতটা আন্তরিকভাবে ভাবেনি। ডক্টর মিজানুর রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে যে তৎপরতা দেখাচ্ছেন, তাতে এলাকার মানুষ অত্যন্ত সন্তুষ্ট।
এলাকার রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, ডক্টর মিজানুর রহমান চিরাচরিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির বাইরে গিয়ে সরাসরি জনগণের মুখোমুখি হচ্ছেন। সরকারি বরাদ্দের সঠিক ও স্বচ্ছ বণ্টন নিশ্চিত করার কারণে প্রতিটি কাজের সুফল সরাসরি সাধারণ মানুষ পাচ্ছে।
জনগণের এই অভূতপূর্ব ভালোবাসা ও সন্তুষ্টির জবাবে ডক্টর মিজানুর রহমান এর আগে এক জনসভায় বলেছিলেন, “জনগণ আমাকে ভালোবেসে যে আমানত দিয়েছে, তার সঠিক মূল্যায়ন করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য। নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাটের প্রতিটি মানুষের মুখে হাসি না ফোটানো পর্যন্ত আমার এই পথচলা থামবে না।”
উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনটি একটি আধুনিক ও মডেল নির্বাচনী এলাকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের।

Posted ৮:৫১ অপরাহ্ণ | রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
দৈনিক গণবার্তা | Gano Barta


